সবই মায়া, এই দুনিয়ায় যখন কেউ কারো নয়, তখন মিথ্যে মিথ্যে সম্পর্ক বানিয়ে কষ্ট পাওয়া কেন? কেন শুধুশুধু ভালোবেসে যাওয়া?
না আমি নতুন করে প্রেমে পড়িনি, তাই ভেঙ্গে যাওয়ার প্রশ্নও নেই. আমি একদম সরল সোজা সাপ্টা মাতা আর তার সন্তানের কথা বলছি. প্রতিদিনের খবরের দৌলতে আমরা ইতিমধ্যে জেনে ফেলেছি, অসুস্থ বৃদ্ধা মাকে সন্তানেরা রেল স্টেশনে ফেলে রেখে চলে গেছে বা প্রতিবন্ধী সন্তান কে মা অপরিসীম অত্যাচার করে মৃত্যু মুখে ঠেলে দিয়েছে. খুব আশাবাদীরা বলবেন (যেমন আমার মাতৃদেবী) এগুলো খুব বিক্ষিপ্ত ঘটনা, আমাদের ভারতীয় সমাজে পরিবারতন্ত্র খুউব দৃঢ় এবং মজবুত, কাজেই দিনের শেষে এই ঘটনার দ্বারা প্রভাবিত হয়ো না (কারন তুমি যাই বলো আর তাই বলো তোমার বিয়ে আমি দেবই).
না আমি নতুন করে প্রেমে পড়িনি, তাই ভেঙ্গে যাওয়ার প্রশ্নও নেই. আমি একদম সরল সোজা সাপ্টা মাতা আর তার সন্তানের কথা বলছি. প্রতিদিনের খবরের দৌলতে আমরা ইতিমধ্যে জেনে ফেলেছি, অসুস্থ বৃদ্ধা মাকে সন্তানেরা রেল স্টেশনে ফেলে রেখে চলে গেছে বা প্রতিবন্ধী সন্তান কে মা অপরিসীম অত্যাচার করে মৃত্যু মুখে ঠেলে দিয়েছে. খুব আশাবাদীরা বলবেন (যেমন আমার মাতৃদেবী) এগুলো খুব বিক্ষিপ্ত ঘটনা, আমাদের ভারতীয় সমাজে পরিবারতন্ত্র খুউব দৃঢ় এবং মজবুত, কাজেই দিনের শেষে এই ঘটনার দ্বারা প্রভাবিত হয়ো না (কারন তুমি যাই বলো আর তাই বলো তোমার বিয়ে আমি দেবই).
কিন্তু সত্যি কি তাই, এই ঘটনা গুলি কি নিতান্তই আকস্মিক,বাস্তবের বিন্দুমাত্র প্রতিফলন নেই? কোনো বাড়িতেই কি বৃদ্ধ বাবা-মা কে বোঝা মনে করা হয় না? সম্পতি লিখে দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয় না? বা বড়লোক সন্তানেরা বাড়িতে একবেলা থাকতে দিতে দ্বিধাগ্রস্থ হয় না? হয়, কিন্তু দূর্ভাগ্য বা সৌভাগ্যবশত সেটা চার দেওয়ালের মধ্যে আটকা পড়ে যায়. তাই আমরা নতুন প্রজন্মের সামনে আবার একটা মিষ্টি মধুর পরিবারচিত্র তুলে ধরতে পারি. সব কবি সাহিত্যিক কবেই তো বলে গেছেন, আমরা সবচেয়ে বেশী কষ্ট আপন জনের কাছ থেকে পাই কারন বহিরাগত কে আমরা এতটাও অধিকার দিই না, যাতে তারা আঘাত করতে পারে.
ও হ্যাঁ বলতে ভুলে গেছিলাম, এটাই চরম সত্য না, এখনও কেউ কেউ আছেন যারা মানসিক রোগগ্রস্থ কিশোরকে বাড়ি পৌছে দেওয়ার জন্য আক্ষরিক অর্থেই জুতোর শুকতলা খুইয়ে ফেলেন, যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশের নাগরিককে সাদরে গ্রহন করতে এগিয়ে আসেন অন্য দেশের নাগরিক. আমি জানি এতে রাজনীতি মেশানো ছিল অনেকটা. কিন্তু একজন তো অন্তত ওখানে ছিলেন যিনি সত্যিই অভ্যর্থনা করতেই গিয়েছিলেন.
আর এই এক জনই যত নষ্টের গোড়া, এই এক জনের জন্যই আমার হৃদয়ের প্রেম সমুদ্র শুকাতে পারে না. হাজার হাজার ঋণাত্বক ঘটনা তখন বিক্ষিপ্ত ঘটনা হয়ে যায়. আর রাস্তায় মিউ মিউ করতে থাকা বিড়ালটাকে কিছু খাওয়ানোর জন্য মনটা আকুল হয়ে ওঠে, খাওয়াতে পারি না কারন তার গলার ঘন্টায় ঝুলানো থাকে, do not feed me.
তাই কষ্টটা বাড়তে থাকে. একটা বিড়ালের জন্যে কিছু করতে পারলাম না, মানুষ তো দুরস্থান. অসহায় ভালোবাসা প্রবল হতে থাকে, শেষে অশ্রু হয়ে বয়ে যায়.
তাই কষ্টটা বাড়তে থাকে. একটা বিড়ালের জন্যে কিছু করতে পারলাম না, মানুষ তো দুরস্থান. অসহায় ভালোবাসা প্রবল হতে থাকে, শেষে অশ্রু হয়ে বয়ে যায়.
উফফ্ ভালোবাসা তুমি বড়ই যাতনাময়.
--জ্ঞানপাপী
No comments:
Post a Comment