Tuesday, 9 May 2017

নিউইয়র্কের পথে পথে

এখানে এখন গভীর রাত, কিন্তু ঘুম নেই চোখে, সম্ভবত জেট ল্যাগ। কি করি কি করে ভেবে ভেবে শেষে ল্যাপটপ খুলে বসলাম, আমার সদ্য দেখা শহরকে নিয়ে কিছু বলার জন্য। নিউইয়র্ক নিয়ে এতো জন এতো কথা লিখেছেন, আমার আর নতুন করে বলার কিছু নেই। কাজেই খুব বেশি কিছু বলছি না এই শহরকে নিয়ে, বরং আমি এই শহরের সাথে আরো একটা শহরের কথাও বলবো। কিন্তু সেইটা ছোট্ট শহর, সেই নামটা দিয়ে পোস্ট করলে, কেউ চিনতেও পারবে না, তাই  নামটা 'নিউইয়র্কের পথে পথে'-ই রাখলাম। এই প্রসঙ্গে বলে রাখি, এই নামটাও আমার নিজের মাথা থেকে আসেনি, মায়ের লেখা একটা ভ্রমণকাহিনী আছে, লন্ডন নিয়ে, সেই নামটা থেকে অনুকরণ করলাম মাত্র। 

নামকরণ তো হলো, এবার আসি আসল গল্পে। অনেক রাত এখন, বেশি কথা না বাড়িয়ে গল্প শুরু করায় ভালো। অবশ্য এই রাত কথাটাও আপেক্ষিক, তিন দিন নিউইয়র্ক-এ থেকে সেটাই জানলাম। নিউইয়র্ক সেই শহর যেখানে রাতেই দিন শুরু হয়। অবশ্য সত্যিকারের দিন যে দিন নয়, তা বলছি না। চারিদিকে সব সময়ই লোকে লোকারণ্য। আমি বাসে করে প্রভিডেন্স বলে আর একটা শহর থেকে নিউইয়র্ক আসছিলাম, তখন বিকেল। রাস্তায় এতো ভীড়, দেখে কলকাতার কথা মনে পড়ে গেলো। পরে গুগলে দেখলাম, শহরের কেন্দ্রস্থলের (ম্যানহাটন) জনসংখ্যার ঘনত্ব কলকাতাকেও হার মানায়। অবশ্য পুরো নিউইয়র্ক শহরটাকে হিসেবের মধ্যে ধরলে পরিসংখ্যান একটু আলাদা। নিউইয়র্ক শহরটা পাঁচটি অঞ্চল (Borough) তে বিভক্ত, ম্যানহাটন, ব্রুকলিন, কুইন্স, স্ট্যাটেন আইল্যান্ড এবং দা ব্রঙ্ক্স (The Bronx)। নিউইয়র্কের যত ছবি আমরা দেখি, আকাশচুম্বী অট্টালিকা তার বেশিরভাগটাই ম্যানহাটন-এর ছবি, এখানেই সেই টাইমস স্কয়ার, যা বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত জায়গা। সবাই শুধু এ রাস্তা থেকে ও রাস্তা, ও প্রান্ত থেকে এ প্রান্ত হেটে যাচ্ছে। বড় বড় স্ক্রিনে সব সময় বিজ্ঞাপন চলছে, যেটা রাতে খুব ভালো করে বোঝা যায়, কিন্তু দিনের বেলাতেও সেগুলো চলতেই থাকে। আমি প্রথমে দেখেই ভাবলাম, ইস্স, কত্ত শক্তি (energy) নষ্ট, কেউ তো তাকিয়েও দেখছে না। আর দেখবেই বা কি করে, সবাই তো শুধু চলছেই আর চলছেই, থামার মধ্যে টুক করে দাঁড়িয়ে ছবি তোলা, আর তারপর আবার চলা।





টাইমস স্কয়ার রাতের বেলায় 

এ চলার যেন শেষ নেই, তাই মধ্য রাতেও মেট্রো সচল, লোকে ভর্তি, মনেই হয়না রাত দুটো বাজে।
বড়ো শহর নিয়ে আমাদের মধ্যে একটা ভয় কাজ করে, কিন্তু যে শহরে রাত দুটোতেও অনায়াসে যাতায়াত করা যায়, সে শহর নিঃসন্দেহে আমাদের দেশের শহরগুলোর থেকে নিরাপদ। 

আমার সাথে অবশ্য আমার বন্ধু ছিল, সে আমেরিকাতেই থাকে অন্য শহরে, আমি ওই দেশে গেছি বলে, নিজের শহর থেকে উড়ে এসে আমার সাথে দেখা করতে এসেছিলো, পুরো গুরুজনদের মতো যত্ন করে হাত ধরে ঘুরিয়েছে আমাকে। নিউইয়র্ক পৌঁছনোর আগে পাঁচদিন আমি অন্য শহরে ছিলাম, তখন রোজ রোজ খোঁজ নিয়েছে, ওর দেশে গিয়ে আমার যাতে কোনো অসুবিধা না হয়, সেইটা দেখার দায়িত্ব ও নিয়ে নিয়েছিল। অথচ কে বলবে ওর সাথে আমার সাত বছর পর দেখা হলো, সেই কলেজ ছাড়ার পর। থাকার ব্যবস্থাও ওই করেছিল, ওত্তোবড় অচেনা শহরে একেবারে বাড়ির মতো আদর পেলাম, ওর পরিচিতের বাড়িতে। এখন অবশ্য আমার ও পরিচিত। তিনি খুব সুন্দর রান্না করেন, খুব সুন্দর ছবি আঁকেন আবার গলার স্বর খুব মিষ্টি। ধন্যবাদ জানিয়ে কাজ নেই, বরং বলতে পারি, আমার এখানে আসলে তোমাদের দুজনকেই যত্ন করার চেষ্টা করবো।
অবশ্য লন্ডন তোমাদের কতটা ভালো লাগবে জানিনা। 

তুলনা করা সবসময় উচিত নয় কিন্তু আমরা কথায় কথায় তুলনা করতে থাকি। আমি পুরো নিউইয়র্ক যেমন ঘুরে দেখিনি, তেমনি গ্রেটার লন্ডনও নয়।   কাজেই খুব বেশি আলোচনা বা সমালোচনা করা উচিত হবে না। তবে দুটো শহরের কেন্দ্রস্থল যদি তুলনা করি, তাহলে লন্ডন অনেক বেশি সবুজ। রাস্তার পাশে পাশে গাছ। সেখানে ম্যানহাটনে গাছ দেখতে সেন্ট্রাল পার্কে যেতে হবে, অবশ্য পার্কটা খুবই সুন্দর। এই পার্কেই অনেক হলিউড সেলিব্রিটি নাকি জগিং করেন (বান্ধবী বলেছেন)।







সেন্ট্রাল পার্ক 

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিক থেকে লন্ডন হয়তো একটু এগিয়ে থাকবে। আমি যদি বলি লন্ডনেও আমার অসুবিধা হয় তাহলে লোকে পেটাতে আসবে, কলকাতার পার্কসার্কাসে যে থেকেছে, সে কোন সাহসে বলে লন্ডন নোংরা ! কিন্তু সত্যি বলতে কি, ইউ.কের ছোট্ট শহরগুলো এত্ত পরিষ্কার (ইউ.এস তেও বোধহয় তাই) যে বড় শহর গুলোকে বেশ অপরিষ্কার লাগে। লন্ডনকে একটু এগিয়ে রাখছি, কারণ নিউইয়র্ক শহরের মেট্রো, বা একটু গলি, অন্ধকার রাস্তা, এমনকি মেট্রো স্টেশনের লিফটও পুঁতিগন্ধময়। অসহ্য রকমের ঝাঁজাল গন্ধ। যার কারণ হচ্ছে এই শহরে প্রচুর গৃহহীনদের বাস আর তারাই এই কুকীর্তি গুলো করে রাখে। এত্ত বড় শহরকে পরিষ্কার রাখা মুখের কথা নয়। তবুও কলকাতার মতো নয়। কলকাতাবাসী বন্ধুরা দুঃখ পাবেন না, আমি শুধু তুলনা করার জন্য কলকাতাকে টেনে এনেছিলাম। 


টাইমস স্কয়ার দিনের বেলায় 

আর নিউইয়র্ক অনেক অনেক বেশি জনাকীর্ণ। লন্ডনের রাস্তা অনেক তাড়াতাড়ি ফাঁকা হয়ে যায়। রাত ১০ টা অবধি বাইরে থেকেছিলাম লন্ডনের, তখনই কিছু কিছু জায়গা প্রায় খালি, দোকানও বন্ধ হয়ে গেছিলো। আর নিউইয়র্কে রাত ১০ টা তেই বেরোলাম, এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং-এর ৮৬তলা থেকে শহরটাকে দেখার জন্য। প্রচন্ড হাওয়া আর ঠান্ডা, কিন্তু ওই হওয়ার মধ্যেও দিগন্তব্যাপ্ত আলোকমালা দেখলে মনে হয়, হ্যা আরো কিছু ক্ষণের জন্য এই হাওয়া সহ্য করা যেতেই পারে। 


এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং-এর ৮৬তলা থেকে শহর

এখন রেসিজম নিয়ে অনেক কথা হয়, আমি এমন কোনো অবস্থার মুখে পড়িনি।  এতো বড় শহরে, এতো রকম মানুষ, ফর্সা কালো, লম্বা বেটে, রোগা মোটা, কে যে কোথা থেকে বোঝা দায়। আরো আশ্চর্যের বিষয় ওখানে হালাল কার্ট-এ (চাকা লাগানো খাবারের গাড়ী, যেগুলো প্রধানত বাংলাদেশী বা পাকিস্থানীরা চালায়) পর্ক বিক্রি হয়। সেখানে ইউ.কে তে একটা বিশেষ ধর্মের মানুষ অনেক বেশি ধর্মীয় ভাবে রক্ষণশীল। এখানে আমরা ভাবতেই পারিনা, তারা পর্ক খাবে, এমনকি হালাল নয় এমন মাংস খাবে। তাছাড়া রাস্তাতে প্রচুর লোকজন দেখা যায় যারা ধর্মীয় পোশাক পরিধান করে, বিশেষত মেয়েরা। নিউইয়র্কে তেমন চোখে পড়েনি। 

নিউইয়র্কে যাওয়ার আগে বেশ ভয়ে ছিলাম, এত্ত ভীড় শুনেছি। গিয়ে কিন্তু কোনো অসুবিধা হয়নি। আর আমার যেটা সবচেয়ে ভালো লেগেছে, সেটা হলো রাস্তার পরিকল্পনা। পুরো শহরটা কাটাকুটি খেলার মতো লাইন টানা রাস্তায় বিভক্ত। সমান্তরালে চলে গেছে এভিনিউ আর এভিনিউগুলোকে আড়াআড়ি ভাবে কেটে কেটে চলে গেছে স্ট্রিট (বা উল্টো করেও বলা যায়)। কোনো জায়গার স্ট্রিট আর এভিনিউ নম্বর জানা থাকলে ঠিকই পৌঁছে যাওয়া যাবে, হয়তো উল্টো দিকে হেটে ফেললেন, এভিনিউ পাঁচের জায়গায় সাতে চলে চলে গেলেন, কুছ পরোয়া নেহি, ১৮০ ডিগ্ৰী ঘুরে যান, নাক বরাবর হাটতে থাকুন যে দিক থেকে এসেছিলেন সেদিকেই। শুধু খেয়াল রাখতে হবে, কোনদিকে স্ট্রিট বাড়ছে, আর কোনদিকে এভিনিউ নম্বর। ব্যস, যতই ভীড় হোক, আপনি হারাবেন না। জিপিএস কাজ করছিলো না ঠিকঠাক, তাই আমরা অনেকবার এই উল্টো দিকে যাওয়া আসা করেছি আর গন্তব্যে পৌঁছেও গেছি। 

ভালো লাগার মধ্যে আছে রুজভেল্ট আইল্যান্ড। এখানেই আমি থেকেছি তিন দিন। এটা ম্যানহাটনেরই অন্তর্গত, কিন্তু মূল শহর থেকে একটা আলাদা, নদীর মধ্যে একটা দ্বীপ। ছোট্ট সুন্দর, কোলাহল ভীড় থেকে দূরে অথচ একটা মেট্রো স্টপেজ পার করলেই মূলশহরে পৌঁছে যাওয়া যায়। ট্রামও চলে, সেটা বিশেষ করে এই দ্বীপের জন্যই। ট্রাম কিন্তু কলকাতা শহরের রাস্তা দিয়ে চলা ট্রাম নয়, এই ট্রাম চলে আকাশ দিয়ে। 



আকাশপথে ট্রাম আর নদীর মাঝে রুজভেল্ট আইল্যান্ড
(এই দুটো ছবি গুগল থেকে নেওয়া।)

একদিন সকালে আমি দ্বীপটা চক্কর কেটে আসলাম, ১৮৭২ সালে তৈরী একটা লাইটহাউস আছে দ্বীপের এক মাথায়, সেইটা দেখে আসলাম।  কিছুক্ষন নদীর ধরে বসলাম, মনটা উদাস হয়ে গেলো। শহর দেখতেই এসেছিলাম, কিন্তু সেই শহরের ভিড়ভাট্টায় দুদিনেই ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম, এই রুজভেল্ট আইল্যান্ড, নাটোরের বনলতা সেনের হয়ে দায়িত্ব পালন করলো। 



রুজভেল্ট আইল্যান্ড'স  লাইটহাউস

অনেক বড় লেখা হয়ে গেছে, এখানেও সকাল হয়ে গেছে প্রায়। ইউনিভার্সিটি যেতে হবে আজ এতদিন পরে। কাজেই আর অল্প একটু লিখে আর ছবি সেঁটে আজকের মতো শেষ করি আমার ব্লগ। 

শেষ করার আগে বলি কেন গেছিলাম ওদেশে। আমি আসলে গেছিলাম কনফারেন্স, প্রভিডেন্স নামে 
রোড আইল্যান্ড-এর  একটা শহরে, সেখানেই ছিলাম পাঁচ দিন। কাজেই দিন গুজরানের অনুপাত হিসাবে ওখানেই বেশিদিন ছিলাম, তাই সেই শহরটা নিয়েও কিছু বলা দরকার। খুব বেশি ঘুরতে পারিনি, প্রতিদিন এ সকাল সাতটা থেকে সন্ধ্যে সাতটা কনফারেন্স-এই কেটে গেছে। তাই তেমন ঘোরা হয়নি। তবে যেদিন সন্ধ্যেতে পৌঁছায় তার পরদিন সকালে শহরের প্রধান জায়গা গুলো ঘুরে নিয়েছিলাম, ব্রাজিল থেকে আসা একজনের সাথে। সেও আমার মতো কনফারেন্সে আসার জন্য স্পন্সরশীপ পেয়েছিলো, আর আমাদের একই ঘরে থাকতে দেওয়া হয়েছিল। সেও খুবই মিষ্টি, কিন্তু দুঃখের কথা, আমি যে তার বিষয়ে লিখলাম সে তো বুঝতেই পারবে না।

প্রভিডেন্স ছোট্ট শহর, ফাঁকা ফাঁকা, রাস্তায় মানুষজন নেই তেমন, শেফিল্ডের থেকেও শান্ত। অনেক পুরোনো শহর, ব্রিটিশরা এসে ঘাঁটি গেড়েছিল, তাই প্রভিডেন্স-এর আশেপাশের জায়গাগুলোর নামও ইউ.কের মতো।







প্রভিডেন্স

একটা সুন্দর ইউনিভার্সিটি আছে, সেটাও খুব পুরোনো, আর ক্যাম্পাসটা দারুন। দেখে দুঃখ হলো, আমার ইউনিভার্সিটি খুব বড় বটে, কিন্তু এমন ক্যাম্পাস নেই।



জনসন ও ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয়

আর একটা বিষয়ে নিয়ে আমি খুবই উত্তেজিত (excited, not angry), সেটা হলো, প্রভিডেন্স-এর রোড আইল্যান্ড স্কুল অফ ডিজাইন মিউজিয়াম-এ গিয়ে, পাল বংশের বিষ্ণুমূর্তি দেখে। ইতিহাসের নিদর্শন কোথা থেকে কোথায় চলে গেছে। যে ভাবেই পৌঁছাক মূর্তিটা, বাঙলী মেয়ে ওদেশে না গেলে জানতেই পারতো না, অমন ছোট্ট শহরেও এই বাংলার একটা নিদর্শন আছে। 


পাল বংশের বিষ্ণুমূর্তি

বেশি লিখবো না ভেবেও অনেক বেশিই লিখে ফেললাম, জানিনা সবার পড়ার ধৈর্য থাকবে কিনা। 

আমার মাথায়তো এখন কথার পর কথা এসে যাচ্ছে। কিন্তু না, আর না। জে এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এর কথা বলে শেষ করি। বিমানবন্দরটা মূল শহর থেকে একটু দূরে, প্রথমে মেট্রো, তারপর এয়ারট্রেনে করে যেতে হয়। এয়ারট্রেনটা বিমানবন্দরের বিভিন্ন টার্মিনালে পৌঁছে দেবার জন্যই, এত্ত বিশাল বিমানবন্দর যে ট্রেন লাগবেই, অবশ্য দুবাই-ও তাই। তবে দুবাই-তে বোধহয় কাউন্টারে গিয়ে চেক-ইন করতে হয়। এখানে দেখলাম নিজে নিজেই সব করতে হয়, অনেক কম্পিউটার রাখা আছে, পর পর প্রশ্নের উত্তর দাও, পাসপোর্ট স্ক্যান করাও, দেন প্রিন্ট করো বোর্ডিং পাস আর লাগেজ ট্যাগ, তারপর সেই ট্যাগটা লাগিয়ে ওজন করে লাগেজ তুলে দাও এয়ারলাইন্স-এর কাছে। মানে নিজের কাজ নিজে করো। 'আমার প্রবাসী জীবন' ব্লগেও আমি লিখেছিলাম, উন্নত দেশ মানে সবকিছু সহজে, তেমনটা নয়, উন্নত হওয়া মানে বোধহয় স্বাবলম্বী হওয়াকেই বোঝায়। 

ইউ.কেতে এখনো ঘরের কাজ মূলত মেয়েরা করে (৬৬%), তাই বিজ্ঞাপন দিচ্ছে, সবে মিলে করো কাজ। আর ভারতে, এখনো মেয়ে দেখতে গিয়ে ছেলে গর্বের সাথে বলছে, আরে, আমি ওসব কাজটাজ কিছু জানি না, কিন্তু বৌকে সব জানতেই হবে। 

সবশেষে আশা করি সবাই উন্নত হোক, স্বাবলম্বী হোক। আমাদের দেশ সম্পর্কে বাইরের লোকজনের অনেক ভুল ধারণা আছে, সেটা কনফারেন্সে গিয়ে আরো একবার জানলাম। সবাই মিলে দেশকে আরো সুন্দর করি, ইউ.কে/ইউ.এস কে অনুকরণ করে নয়, বরং তাদের ভালো দিকগুলো কে অনুসরণ করে। 

পরিশেষে আরো কিছু ছবি দিলাম।


আকাশ থেকে ইউ.এস 


প্রভিডেন্সের ওমনি হোটেল 


প্রভিডেন্স নদীর পাশে





প্রভিডেন্স-এর রোড আইল্যান্ড স্কুল অফ ডিজাইন মিউজিয়াম


স্ট্যাচু অফ লিবার্টি, নিউইয়র্ক 


ভিনসেন্ট ভ্যান গগের আঁকা 'দা স্টারি নাইট, The Starry Night (original), মিউজিয়াম অফ মডার্ন আর্ট, নিউইয়র্ক 


বাড়ীর কর্ত্রীর তৈরী সকালের সুস্বাদু জলখাবার, রুজভেল্ট আইল্যান্ড, নিউইয়র্ক




স্থানীয় সাপ্তাহিক বাজার (farmers' market), রুজভেল্ট আইল্যান্ড, নিউইয়র্ক


স্ট্যাচু অফ লিবার্টি যাওয়ার পথে ফেরী থেকে ম্যানহাটন 


ব্রায়ান্ট পার্কনিউইয়র্ক


বাংলা বাজার, জ্যাকসন হাইটস, নিউইয়র্ক


জ্যাকসন হাইটসের দোকানে ডাল, পাবদা মাছ আর ছোট মায়া মাছের ঝাল 


বাড়ীর কর্ত্রীর তৈরী পুষ্টিকর এবং স্বাদু রাতের খাবার, রুজভেল্ট আইল্যান্ড, নিউইয়র্ক


নতুন ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার 


ধ্বংস হয়ে যাওয়া ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার দুটো এখন দুটি বিশাল জলাশয়/ঝর্ণা 

No comments:

Post a Comment

পড়া এবং পড়ানোর পাঁচকাহন।

  ছাত্র ছাত্রীদের "Electrostatics & Magnetostatics" পড়ানোর জন্য এই বইগুলো নিয়ে বসেছিলাম। একেই বলে জাহির করা। 🤭 "দেখো M...