আমি সবুজ খুব ভালোবাসি, তাই শহরে থাকতে আমার ভালো লাগে না। গাছপালায় মোড়া গ্রাম আমার বেশি প্রিয়। অবশ্য বৃক্ষ শ্রেণীর (Tree) গাছ, যেমন আম কাঁঠাল কিংবা UK-র Elderberry আর Cherry Tree আমার বেশি পছন্দের, সুস্বাদু ফল পাওয়া যায় এদের থেকে। আবার সবুজ হলেও
শ্যাওলা কিন্তু পছন্দের নয়। বর্ষাকালে রাস্তার পাশে অথবা নোনা ধরা পুরনো দেয়ালে যখন শ্যাওলা জমে ওঠে আমি কিন্তু মোটেই প্রীত হইনা।
তাই ভাবি ভাগ্যিস আমার জন্ম এই জামানায় হয়েছিল, সেই প্রাগৈতিহাসিক যুগে নয় যখন বৃক্ষশ্রেণীর অস্তিত্বই ছিল না, থাকলেও তা প্রাথমিক পর্যায়ে। সেই লক্ষ কোটি বছর আগে উদ্ভিদের দেশে রাজত্ব করতো, আজ যাদের আমরা আগাছা বলি, সেই শৈবাল, শ্যাওলা গোত্রের উদ্ভিদ।
কদিন আগে Sheffield Botanical Gardens -এ গিয়ে এমনই এক আগাছার গুঁড়ি দেখে আসলাম। দেখা ইস্তক সবাইকে এই গুঁড়িটা দেখানোর জন্য মনটা আকুল হয়ে উঠেছিল, আজ শেষমেশ সময় পেলাম।

এই গুঁড়িটা একটা প্রকান্ড মসের (Giant Club Moss), যার পোশাকি নাম Lycopod (Lepidodendron)। এই lycopod হচ্ছে এক ধরণের arborescent plant মানে tree-লাইক plant, বৃক্ষের মতো কিন্তু আদতে বৃক্ষ নয়।
৩০ কোটি বছরের পুরোনো গাছটা ছুঁয়ে দেখতেই কেমন যেন একটা শিহরণ জাগলো। প্রাগৈতিহাসিক যুগ বলতেই ডাইনোসোরদের কথা আমাদের মনে আসে, তাই নিয়ে খুঁজলে কত কত documentary । আর এই উদ্ভিদশ্রেণী লাফিয়ে ঝাঁপিয়ে বেড়াতে পারেনা বলেই উদ্ভিদবিজ্ঞানী বাদে, এদের নিয়ে আমাদের কোনো উৎসাহ নেই। অথচ এদের বিবর্তনটাও তো সমান আকর্ষণীয়।
৩০ ফুট লম্বা মহীরুরর মতো প্রকান্ড এই মস একদিন হারিয়ে গেলো আর আজ তার বংশধরেরা রাজ্যপাট হারিয়ে নোনাধরা পাঁচিলে অস্তিস্ত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রামে ব্যস্ত । সত্যিই প্রকৃতি বড় খামখেয়ালী আর অপরিসীম শক্তিধর। তার ইচ্ছের কাছে, শক্তির কাছে সবাই তুচ্ছ । আমরা আপাত চালাক আদতে বোকা মনুষ্যশ্রেণী খামোখাই আস্ফালন করে গেলাম।
Internet ঘেঁটে শিল্পীর কল্পনার Giant Club Moss-এর ছবি পেলাম। কৌতূহলীদের জন্য সঙ্গে দিলাম।
শ্যাওলা কিন্তু পছন্দের নয়। বর্ষাকালে রাস্তার পাশে অথবা নোনা ধরা পুরনো দেয়ালে যখন শ্যাওলা জমে ওঠে আমি কিন্তু মোটেই প্রীত হইনা।
তাই ভাবি ভাগ্যিস আমার জন্ম এই জামানায় হয়েছিল, সেই প্রাগৈতিহাসিক যুগে নয় যখন বৃক্ষশ্রেণীর অস্তিত্বই ছিল না, থাকলেও তা প্রাথমিক পর্যায়ে। সেই লক্ষ কোটি বছর আগে উদ্ভিদের দেশে রাজত্ব করতো, আজ যাদের আমরা আগাছা বলি, সেই শৈবাল, শ্যাওলা গোত্রের উদ্ভিদ।
কদিন আগে Sheffield Botanical Gardens -এ গিয়ে এমনই এক আগাছার গুঁড়ি দেখে আসলাম। দেখা ইস্তক সবাইকে এই গুঁড়িটা দেখানোর জন্য মনটা আকুল হয়ে উঠেছিল, আজ শেষমেশ সময় পেলাম।

এই গুঁড়িটা একটা প্রকান্ড মসের (Giant Club Moss), যার পোশাকি নাম Lycopod (Lepidodendron)। এই lycopod হচ্ছে এক ধরণের arborescent plant মানে tree-লাইক plant, বৃক্ষের মতো কিন্তু আদতে বৃক্ষ নয়।
৩০ কোটি বছরের পুরোনো গাছটা ছুঁয়ে দেখতেই কেমন যেন একটা শিহরণ জাগলো। প্রাগৈতিহাসিক যুগ বলতেই ডাইনোসোরদের কথা আমাদের মনে আসে, তাই নিয়ে খুঁজলে কত কত documentary । আর এই উদ্ভিদশ্রেণী লাফিয়ে ঝাঁপিয়ে বেড়াতে পারেনা বলেই উদ্ভিদবিজ্ঞানী বাদে, এদের নিয়ে আমাদের কোনো উৎসাহ নেই। অথচ এদের বিবর্তনটাও তো সমান আকর্ষণীয়।
৩০ ফুট লম্বা মহীরুরর মতো প্রকান্ড এই মস একদিন হারিয়ে গেলো আর আজ তার বংশধরেরা রাজ্যপাট হারিয়ে নোনাধরা পাঁচিলে অস্তিস্ত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রামে ব্যস্ত । সত্যিই প্রকৃতি বড় খামখেয়ালী আর অপরিসীম শক্তিধর। তার ইচ্ছের কাছে, শক্তির কাছে সবাই তুচ্ছ । আমরা আপাত চালাক আদতে বোকা মনুষ্যশ্রেণী খামোখাই আস্ফালন করে গেলাম।
Internet ঘেঁটে শিল্পীর কল্পনার Giant Club Moss-এর ছবি পেলাম। কৌতূহলীদের জন্য সঙ্গে দিলাম।
P.C :https://museum.wales/articles/2007-06-12/Waless-tropical-rainforests/

No comments:
Post a Comment