Sunday, 28 August 2016

ভবিষ্যত রিপোর্ট ২২ ফেব্রুয়ারি ২২২২

আনন্দবাজার রবিবাসরীয় বিভাগের 'ফিউচার রিপোর্ট' পড়ে এই লেখাটার কথা আমার মাথায় আসে। এটা ১ বছর আগের লেখা, আজ হটাৎ কম্পিউটার ঘাঁটতে গিয়ে চোখে পড়লো, ভাবলাম পোস্ট করেই দিই। আমরা ভারতীয়রা ঠুনকো জিনিস থেকে ঠুনকো সম্পর্ক সবকিছুর সাথেই চীনের তুলনা করি, অথচ আমরাই বোধহয় অনেক বেশি চাইনীজ মোবাইল কিনি। সেই ভাবনা থেকেই এই লেখার উৎপত্তি। 

---
 যাত্রী সংখ্যা বাড়ানোর তাগিদে সমস্ত মহাকাশযান পরিষেবা সংস্থাগুলি প্রতিযোগিতায় নেমে পড়েছে। যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য বাড়ানোর পাশাপাশি রাহা খরচ এক ধাক্কায় ৫০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে চীনা মহাকাশযান পরিষেবা সংস্থাগুলি। স্বাভাবিক ভাবেই বাকি সংস্থাগুলি এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ করেছে এবং ভারতীয় সোশ্যাল মিডিয়াতে এই নিয়ে তীব্র কটাক্ষমূলক আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। 
কেউ কেউ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে অনান্য চাইনীজ উৎপাদনের মতো এই মহাকাশযান আবার ঠুনকো না হয়। এই আশঙ্কা সত্যি হলে অবশ্য প্রচুর মানুষের প্রাণহানির সম্ভাবনা থাকছে।

যদিও চীন সরকার সবাইকে আশ্বস্ত করেছেন যে এই রকম হওয়ার কোনো সম্ভবনা নেই। কারণ যতই চাইনীজ উৎপাদন সম্পর্কে লোকজনের মনে ঋণাত্মক ধারণা থাকুক না কেন, বিশ্বে নিত্য ব্যবহার যোগ্য ৮০% জিনিস-ই চাইনীজ। 
যদিও এই বাগ বিতণ্ডায় সাধারণ মানুষের কোনো ভ্রূক্ষেপ নেই, বরং সস্তার টিকিট পেয়ে জোর কদমে টিকেট কেনা চলছে এবং মাত্র দু-দিনেই আগামী ৬ মাসের টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। আশ্চর্যের বিষয়, যতই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠুক, এই টিকিটের সর্বাধিক ক্রেতা কিন্তু ভারতীয়রায়। 

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১০০ বছর আগে মঙ্গলে বসতি স্থাপন হওয়ার পর থেকেই  ভারতীয় মা-বাবারা  সন্তানদের আমেরিকার থেকে মঙ্গলে পাঠাতেই বেশি আগ্রহী, কারণ নতুন গ্রহে কর্মসংস্থানের সুযোগ অনেক বেশি। 

কাজেই ভারত থেকে যাত্রী সংখ্যা বেশী হওয়ায় স্বাভাবিক, প্রথমবার মঙ্গলে চাকরী করতে যাওয়ার জন্যই হোক বা গ্রহান্তরে নিজের সন্তানদের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার জন্যই হোক, ভারতীয়রা ডিসকাউন্ট-এর সুযোগের চুটিয়ে সদ্ব্যবহার করছেন এবং সমস্ত সতর্কতামূলক বানীকে উপেক্ষা করে টিকিট কেটেই চলেছেন। 

4 comments:

  1. দারুন লেখা। এরকম একটা চিন্তাভাবনার উপর লেখা দেখে খুব ভালো লাগলো। ডোন্ট স্টপ রাইটিং।

    ReplyDelete
    Replies
    1. ধন্যবাদ। আপনার এই অনুপ্রেরণাদায়ক মন্তব্য আমাকে উৎসাহিত করলো। নিশ্চয় লিখে যাবো। সাথে থাকবেন।

      Delete
  2. দুরন্ত বিবেচনা ...।।

    ReplyDelete
    Replies
    1. অসংখ্য ধন্যবাদ

      Delete

ভোটের বাজারে বা বাজারে ভোট!

আজ বাজারে বেড়িয়ে এনার সাথে দেখা হলো। হাস্যমুখে ঘুরে বেড়াচ্ছেন দলের সাথে। বাজারের মধ্যে একজন আওয়াজ দিলো, কে vote দেবে CPIM কে...