Monday, 29 August 2016

কথোপকথন

আমি সবসময়ই দুঃখ বা কঠিন বাস্তব নিয়ে বেশি কথা বলি বা ভাবি। আজও এই লেখাটা লিখতে গিয়ে, এটাকে একটা দুঃখভরা বিরহের কাহিনীতেই পরিণত করতে যাচ্ছিলাম। কিন্তু মস্তিকের মধ্যেই লড়াই বাঁধলো, ডান এবং বামে। একজন চায় সুখের ছাড়পত্র, একজন চায় বাস্তবের প্রতিচ্ছবি। তখন আমি ভেবে দেখলাম, এদের লড়াইয়ে আমার ঘুমটাই মাটি হবে, তার থেকে, কথা না বাড়িয়ে একটা ওপেন এন্ডিং দিয়ে রেখে দিলাম। যে যার নিজের মতো করে ভেবে নাও।  আমার কোনো দায় নেই।  

-----
আরে চিনতে পারছিস? কতদিন পর দেখা তোর সাথে, কিরে অমন হাঁ করে দেখছিস কি? মনে নেই, আমি তোর সাথে স্কুলে ছিলাম।

ওহ! তুই আসলে তুই তো অনেক বদলে গেছিস, স্কুলে তো মুখচোরা ছিলিস, সেই ছেলে এসে এতো কথা বলছে আমার সাথে আমি তো তাইতেই অবাক হয়ে গেছিলাম, আর তা ছাড়া তুই অনেক স্মার্ট হয়ে গেছিস কিন্তু। তা বল কি করছিস এখন? কোথায় আছিস?

কি করছি?? হুম, সে তো অনেক বড়ো কাহিনী, এই বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়েই বলবো? কোথাও গেলে হয়না?


নারে আমার তাড়া আছে, আজ আর সময় হবে না। 

কেন, 'সময় কোথা সময় নষ্ট করবার'?

ঠিক-ই ধরেছিস, বৃষ্টির দিনে চার চারটে বাস মিস করার মতো সময় সত্যিই আর আমার নেই। 

হুম!

কিরে গম্ভীর হয়ে গেলি, কিছু ভাবছিস নাকি?

না, তেমন কিছু নয়, বৃষ্টির সাথে এই যে কবি সাহিত্যিকরা যে প্রেম প্রেম ভাবটাকে জড়িয়ে দিয়েছে, সেটা এক্কেবারে ভুল। 

হটাৎ এ কথা?

আসলে জানলা দিয়ে বৃষ্টি দেখলে কবিতা আসে। কিন্তু প্যাঁচপ্যাঁচে কাদার মধ্যে দিয়ে দৌড়ে দৌড়ে আসতে গেলে প্রেম ভেঙ্গে যাওয়ার চান্স থাকে। 

এগুলো আসলে অপ্রেমীদের অজুহাত, প্রেম এবং বৃষ্টিকে বদনাম করার জন্য।  

হা হা হা হা হা

এতে হাসার কি হলো? অবশ্য আমার অতো সময় নেই তোর হাসির কারণ বা অজুহাত কোনো কিছু শোনার, আমার বাস এসে গেছে। আমি যাই। 

ওহ, তাহলে ভালোই হলো, বাসটা ফাঁকাই মনে হচ্ছে, এতক্ষন দাঁড়িয়ে পা ব্যাথা হয়ে গেলো। 

তোকে দাঁড়িয়ে থাকতে কে বলেছিলো?

কেউ বলেনি কিন্তু অপ্রেমিকের দেওয়ার ছিল বৃষ্টির অজুহাত। পা, থুড়ি প্রেম ভাঙ্গার অজুহাত। 


No comments:

Post a Comment

ভোটের বাজারে বা বাজারে ভোট!

আজ বাজারে বেড়িয়ে এনার সাথে দেখা হলো। হাস্যমুখে ঘুরে বেড়াচ্ছেন দলের সাথে। বাজারের মধ্যে একজন আওয়াজ দিলো, কে vote দেবে CPIM কে...